বলিপাড়ায় অভিনেত্রী অনন্যা পাণ্ডের ত্বকের জেল্লা নিয়ে প্রায়ই চর্চা হয়। ছিপছিপে চেহারা ধরে রাখার পাশাপাশি ত্বকের যত্নেও বেশ সচেতন তিনি। ব্যস্ত শুটিংয়ের মাঝেও ত্বকের পরিচর্যায় ফাঁকি দেন না অনন্যা। সারা দিনে সময় না পেলেও রাতে বাড়ি ফিরে ত্বকের যত্ন নেওয়া তাঁর রুটিনের অংশ।
পুজো চলে এসেছে। এই সময়ে অনেকেই ত্বকে বাড়তি জেল্লা আনতে নানা উপায় খোঁজেন। অনন্যার একটি স্কিনকেয়ার ভিডিয়োতে তিনি জানিয়েছিলেন, ঘরোয়া তিন উপাদানের একটি ফেসপ্যাক তাঁর রূপচর্চার অন্যতম অংশ। হলুদ, মধু এবং দই দিয়ে তৈরি এই প্যাক পুজোর আগে ত্বকের যত্নে ব্যবহার করতে পারেন।
কীভাবে কাজ করে এই ফেসপ্যাক?
দই: দইয়ে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের মৃত কোষ দূর করতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক দেখতে সতেজ ও উজ্জ্বল লাগে। পাশাপাশি ত্বকে আর্দ্রতা বজায় রাখতে এবং ত্বক কোমল রাখতে সাহায্য করতে পারে।
হলুদ: হলুদের অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ত্বকের প্রদাহ ও লালচে ভাব কমাতে এটি সহায়ক হতে পারে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও অনেকে হলুদ ব্যবহার করেন।
মধু: মধু একটি প্রাকৃতিক হিউমেকট্যান্ট। অর্থাৎ এটি ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক নরম ও কোমল থাকে। মধুর কিছু অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্যও রয়েছে।
কীভাবে ব্যবহার করবেন?
একটি পাত্রে পরিমাণমতো দই, সামান্য মধু ও এক চিমটি হলুদ নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। পরিষ্কার ত্বকে পাতলা করে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রথমবার ব্যবহারের আগে ত্বকের ছোট একটি অংশে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া ভালো।
মনে রাখবেন
ত্বকের ধরন বুঝে এই ঘরোয়া ফেসপ্যাক ব্যবহার করা উচিত। সপ্তাহে এক থেকে দু’বারের বেশি ব্যবহার না করাই ভালো। যাঁদের এগজ়িমা, রোসেসিয়া বা ডার্মাটাইটিসের মতো ত্বকের সমস্যা রয়েছে, তাঁরা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এটি ব্যবহার করবেন না।
অতিরিক্ত ব্যবহারে কারও কারও ত্বকে জ্বালা, চুলকানি, লালচে ভাব, শুষ্কতা বা ব্রণ বাড়তে পারে। তাই পুজোর আগে ত্বকের জেল্লা ফেরাতে ঘরোয়া প্যাক ব্যবহার করলেও নিজের ত্বকের ধরন ও সংবেদনশীলতার কথা মাথায় রাখুন।
পুজো চলে এসেছে। এই সময়ে অনেকেই ত্বকে বাড়তি জেল্লা আনতে নানা উপায় খোঁজেন। অনন্যার একটি স্কিনকেয়ার ভিডিয়োতে তিনি জানিয়েছিলেন, ঘরোয়া তিন উপাদানের একটি ফেসপ্যাক তাঁর রূপচর্চার অন্যতম অংশ। হলুদ, মধু এবং দই দিয়ে তৈরি এই প্যাক পুজোর আগে ত্বকের যত্নে ব্যবহার করতে পারেন।
কীভাবে কাজ করে এই ফেসপ্যাক?
দই: দইয়ে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের মৃত কোষ দূর করতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক দেখতে সতেজ ও উজ্জ্বল লাগে। পাশাপাশি ত্বকে আর্দ্রতা বজায় রাখতে এবং ত্বক কোমল রাখতে সাহায্য করতে পারে।
হলুদ: হলুদের অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ত্বকের প্রদাহ ও লালচে ভাব কমাতে এটি সহায়ক হতে পারে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও অনেকে হলুদ ব্যবহার করেন।
মধু: মধু একটি প্রাকৃতিক হিউমেকট্যান্ট। অর্থাৎ এটি ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক নরম ও কোমল থাকে। মধুর কিছু অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্যও রয়েছে।
কীভাবে ব্যবহার করবেন?
একটি পাত্রে পরিমাণমতো দই, সামান্য মধু ও এক চিমটি হলুদ নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। পরিষ্কার ত্বকে পাতলা করে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রথমবার ব্যবহারের আগে ত্বকের ছোট একটি অংশে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া ভালো।
মনে রাখবেন
ত্বকের ধরন বুঝে এই ঘরোয়া ফেসপ্যাক ব্যবহার করা উচিত। সপ্তাহে এক থেকে দু’বারের বেশি ব্যবহার না করাই ভালো। যাঁদের এগজ়িমা, রোসেসিয়া বা ডার্মাটাইটিসের মতো ত্বকের সমস্যা রয়েছে, তাঁরা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এটি ব্যবহার করবেন না।
অতিরিক্ত ব্যবহারে কারও কারও ত্বকে জ্বালা, চুলকানি, লালচে ভাব, শুষ্কতা বা ব্রণ বাড়তে পারে। তাই পুজোর আগে ত্বকের জেল্লা ফেরাতে ঘরোয়া প্যাক ব্যবহার করলেও নিজের ত্বকের ধরন ও সংবেদনশীলতার কথা মাথায় রাখুন।
ফারহানা জেরিন